আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় জবাবদিহি: চিকিৎসার মানের বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি সাতক্ষীরায় বিসিবি’র বয়সভিত্তিক ক্রিকেট প্রাক-বাছাই ২৫ অক্টোবর মহাষ্টমীতে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ পিটিয়ে মারার উদ্দেশ্য ছিল না, দুর্ঘটনাবশত হয়েছে সাতক্ষীরায় ১৯০ সহকারী শিক্ষকের পদায়ন শারদীয় দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও সহযোগিতার আহ্বান সৈয়দ ইফতেখার আলীর ভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন আলী তরুণদের অংশগ্রহণে খুলনায় তিন দিনব্যাপী ‘স্বাধীনতা প্রকল্প’ প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে গরুবোঝাই ভটভটি উল্টে বাবা-ছেলেসহ নিহত ৩, আহত ৮ হাইকোর্টের আদেশে ফিরলেন প্রধান শিক্ষক, তার কক্ষে তালা কার নির্দেশে?

আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, বাস্তবতা ও করণীয় বিষয়ক আঞ্চলিক সংলাপ

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০৪:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮৪ বার পড়া হয়েছে

‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনায় আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, বাস্তবতা ও করণীয় শীর্ষক আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) খুলনার সিএসএস আভা সেন্টার হলরুমে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর আয়োজনে এবং এমআইপিএস প্রকল্পের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্যান সমন্বয়কারী (বাগেরহাট) এসকে হাসিব। সঞ্চালনা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ’র এরিয়া কো-অর্ডিনেটর এস.এম রাজু জবেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মাসুদুর রহমান রঞ্জু। সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনার বিভাগীয় পরিচালক মহিউদ্দীন মজুমদার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ ছয়রুদ্দীন আহম্মেদ, খুলনা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শ্যামল দাস প্রমুখ। বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংলাপে অংশ নেন। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন- সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি ড. আক্তারুজ্জামান, পিএফজি কো-অরডিনেটর অধ্যক্ষ (অব.) পবিত্র মোহন দাশ, হেনরী সরদারসহ খুলনা বিভাগের ১০টি উপজেলার প্রতিনিধিবৃন্দ। অংশগ্রহণকারীদের ঘোষণা পাঠ করেন এড. সেলিনা আক্তার শেলী। বক্তারা বলেন, ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ক্ষুধা-দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্য নিয়ে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে এবং বর্তমানে দেশের ৩৮টি জেলার ১০৯টি উপজেলায় ও ১৪০টি ইউনিয়নে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বক্তারা আরও বলেন- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত। ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতা চর্চার মাধ্যমে সহিংসতা ও বিভাজন প্রতিরোধ করা সম্ভব। স্থানীয় পর্যায়ে সম্প্রীতি বাড়াতে নিয়মিত আন্তঃধর্মীয় আলোচনা, যুবসমাজকে সম্প্রীতির শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা, ভ্রান্ত তথ্য প্রতিরোধ এবং সামাজিক বন্ধন জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় জবাবদিহি: চিকিৎসার মানের বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি

আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, বাস্তবতা ও করণীয় বিষয়ক আঞ্চলিক সংলাপ

আপডেট সময়: ০৪:৫৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

‘সংঘাত নয়, শান্তি ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে খুলনায় আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, বাস্তবতা ও করণীয় শীর্ষক আঞ্চলিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) খুলনার সিএসএস আভা সেন্টার হলরুমে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ এর আয়োজনে এবং এমআইপিএস প্রকল্পের সহযোগিতায় দিনব্যাপী এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্যান সমন্বয়কারী (বাগেরহাট) এসকে হাসিব। সঞ্চালনা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট বাংলাদেশ’র এরিয়া কো-অর্ডিনেটর এস.এম রাজু জবেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মাসুদুর রহমান রঞ্জু। সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ইসলামিক ফাউন্ডেশন খুলনার বিভাগীয় পরিচালক মহিউদ্দীন মজুমদার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ ছয়রুদ্দীন আহম্মেদ, খুলনা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শ্যামল দাস প্রমুখ। বিভিন্ন ধর্মের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংলাপে অংশ নেন। মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন- সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি ড. আক্তারুজ্জামান, পিএফজি কো-অরডিনেটর অধ্যক্ষ (অব.) পবিত্র মোহন দাশ, হেনরী সরদারসহ খুলনা বিভাগের ১০টি উপজেলার প্রতিনিধিবৃন্দ। অংশগ্রহণকারীদের ঘোষণা পাঠ করেন এড. সেলিনা আক্তার শেলী। বক্তারা বলেন, ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ক্ষুধা-দারিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্য নিয়ে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট যাত্রা শুরু করে। বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে এবং বর্তমানে দেশের ৩৮টি জেলার ১০৯টি উপজেলায় ও ১৪০টি ইউনিয়নে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বক্তারা আরও বলেন- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করে শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠন টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত। ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতা চর্চার মাধ্যমে সহিংসতা ও বিভাজন প্রতিরোধ করা সম্ভব। স্থানীয় পর্যায়ে সম্প্রীতি বাড়াতে নিয়মিত আন্তঃধর্মীয় আলোচনা, যুবসমাজকে সম্প্রীতির শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা, ভ্রান্ত তথ্য প্রতিরোধ এবং সামাজিক বন্ধন জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তারা।