সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম ও তাঁর পরিবারকে হত্যাসহ গুমের হুমকির অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান ছোট’র বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় রেজাউল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৯ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নম্বর- ৫৬৭, তারিখ: ০৯-১২-২০২৫। জিডিতে রেজাউল ইসলাম উল্লেখ করেন, ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে আলিপুর ঢালীপাড়া মোড়ে সাতক্ষীরা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুর রউফের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সময় জেলা জামায়াতের কতিপয় নেতৃবৃন্দের উস্কানীতে মোস্তাফিজুর রহমান ছোট তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে তিনি রেজাউল ইসলামকে বিএনপির রাজনীতি না করার হুমকি দেন এবং রাজনীতি চালিয়ে গেলে রেজাউল ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা ও গুম করে ফেলবেন বলেও দাবি করেন। এ বিষয়ে আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম বলেন, “ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রউফের পক্ষে কাজ করায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের কতিপয় নেতৃবৃন্দের উস্কানীতে মোস্তাফিজুর রহমান ছোট আমাকে হত্যাসহ গুমের হুমকি দিয়েছেন। সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের শ্যালকের সঙ্গে ছোট’র আগে থেকেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে, সেই প্রভাবেই তিনি নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং এখনও আছেন।” তিনি আরও দাবি করেন, আলহাজ্ব আব্দুর রউফের একমাত্র ছেলে যুবদল নেতা সেলিমের গুমের সঙ্গেও মোস্তাফিজুর রহমান ছোট জড়িত থাকতে পারেন। “ছোটকে গ্রেপ্তার করা হলে যুবদল নেতা সেলিমের গুমের রহস্য উন্মোচিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি,” যোগ করেন রেজাউল ইসলাম। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান ছোট’র বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম ও তাঁর পরিবারকে হত্যাসহ গুমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মোস্তাফিজুর রহমান ছোট’র বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৯ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডি নম্বর–৫৬৭, তারিখ: ০৯-১২-২০২৫।
জিডিতে আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম উল্লেখ করেন, গত ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে আলিপুর ঢালীপাড়া মোড়ে সাতক্ষীরা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুর রউফের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সময় জেলা জামায়াতের কতিপয় নেতার উস্কানিতে মোস্তাফিজুর রহমান ছোট তাঁকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে ছোট তাঁকে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার হুমকি দেন। একই সঙ্গে রাজনীতি চালিয়ে গেলে আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম ও তাঁর পরিবারকে হত্যা ও গুম করে ফেলার হুমকিও দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রেজাউল ইসলাম বলেন,
“ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব
আব্দুর রউফের পক্ষে কাজ করায় জামায়াতের কতিপয় নেতার উস্কানিতে ছোট আমাকে হত্যাসহ গুমের হুমকি দিয়েছেন। সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের শ্যালকের সঙ্গে ছোট’র আগে থেকেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। সেই প্রভাবেই তিনি নানা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং এখনও আছেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, আব্দুর রউফের একমাত্র ছেলে যুবদল নেতা সেলিমের গুমের সঙ্গেও মোস্তাফিজুর রহমান ছোট জড়িত থাকতে পারেন।
“ছোটকে গ্রেপ্তার করা হলে যুবদল নেতা সেলিমের গুমের রহস্য উন্মোচিত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি,” বলেন রেজাউল ইসলাম। অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান ছোট’র বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রিপোর্টার 














