আজ রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের কমিটি গঠন, নেতৃত্বে ইব্রাহিম খলিল ও আবু তাহের স্বাধীনতা দিবসে বীর শহীদদের প্রতি সাতক্ষীরা সাংবাদিক কেন্দ্রের শ্রদ্ধা নিবেদন আশাশুনিতে প্রাইভেট কার-ইজিবাইক সংঘর্ষে আহত ৪ সাতক্ষীরার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সম্মানে শহর ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সাতক্ষীরায় নিউ মার্কেট ক্লাবের ইফতার মাহফিল ও ঈদ উপহার বিতরণ সাতক্ষীরায় ঘরে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৩ সরবরাহ সংকটে তেল না পেয়ে ভোগান্তি: প্রশাসনের দৃষ্টি প্রয়োজন সাতক্ষীরায় পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্মহত্যার অভিযোগ সাতক্ষীরায় মাসজিদে কুবা ও মাদ্রাসা ইফতার মাহফিল সাতক্ষীরায় গরুবোঝাই ইঞ্জিনভ্যান খাদে পড়ে নি’হত ২

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান

  • আব্দুর রহমান
  • আপডেট সময়: ০১:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২১৩ বার পড়া হয়েছে

ছাদ থেকে প্লাস্টার খসে পড়ছে প্রায়ই। কোথাও বেরিয়ে আছে মরিচাধরা রড। একাধিকবার সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণীকক্ষ ও অফিসকক্ষে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। দেয়াল, ছাদ, পিলার ও বিমে দেখা দিয়েছে ফাঁটল। শ্রেণীকক্ষ ও অফিস রুমের মেঝেও দেবে গেছে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে ২৬ নং দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন। ভগ্নদশা ভবনের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চার কক্ষবিশিষ্ট পুরোনো একতলা ভবনের একটি অফিসরুম এবং তিনটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছে। ১৯৯৫ সালে নির্মিত ভবনটির ছাদে বড় বড় অংশ খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও ফাঁটল ধরে আছে দেয়ালজুড়ে। শ্রেণীকক্ষে জলাবদ্ধতা আর দেবে যাওয়া মেঝে শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে। বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে পাঁচ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা জানায়, ভাঙাচোরা শ্রেণিকক্ষে পড়তে তাদের ভয় লাগে। যে কোনো সময় ছাদ বা দেয়ালের অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আতঙ্কে থাকতে হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, “২০২৩ সালে যোগদানের পর থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছি। অভিভাবকেরা অনেকেই নিরাপত্তার কথা ভেবে অন্য প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের পাঠাচ্ছেন। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করেছি, এখনও কোনো ফল পাইনি।” এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, “বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কম হলেও নতুন ভবনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) এর আওতায় ভবন অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।” স্থানীয়দের মতে, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

সর্বোচ্চ পঠিত

ইয়ুথ অ্যাডাপটেশন ফোরামের কমিটি গঠন, নেতৃত্বে ইব্রাহিম খলিল ও আবু তাহের

ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান

আপডেট সময়: ০১:৩২:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

ছাদ থেকে প্লাস্টার খসে পড়ছে প্রায়ই। কোথাও বেরিয়ে আছে মরিচাধরা রড। একাধিকবার সিলিং ফ্যান খুলে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বৃষ্টি হলেই ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে শ্রেণীকক্ষ ও অফিসকক্ষে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। দেয়াল, ছাদ, পিলার ও বিমে দেখা দিয়েছে ফাঁটল। শ্রেণীকক্ষ ও অফিস রুমের মেঝেও দেবে গেছে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে ২৬ নং দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন। ভগ্নদশা ভবনের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমছে। সরেজমিনে দেখা যায়, চার কক্ষবিশিষ্ট পুরোনো একতলা ভবনের একটি অফিসরুম এবং তিনটি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চলছে। ১৯৯৫ সালে নির্মিত ভবনটির ছাদে বড় বড় অংশ খসে পড়েছে। কোথাও কোথাও ফাঁটল ধরে আছে দেয়ালজুড়ে। শ্রেণীকক্ষে জলাবদ্ধতা আর দেবে যাওয়া মেঝে শিক্ষার্থীদের আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে। বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে পাঁচ শতক জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীরা জানায়, ভাঙাচোরা শ্রেণিকক্ষে পড়তে তাদের ভয় লাগে। যে কোনো সময় ছাদ বা দেয়ালের অংশ ভেঙে পড়তে পারে বলে আতঙ্কে থাকতে হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, “২০২৩ সালে যোগদানের পর থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছি। অভিভাবকেরা অনেকেই নিরাপত্তার কথা ভেবে অন্য প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের পাঠাচ্ছেন। নতুন ভবন নির্মাণের জন্য একাধিকবার আবেদন করেছি, এখনও কোনো ফল পাইনি।” এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, “বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা কম হলেও নতুন ভবনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৫) এর আওতায় ভবন অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে।” স্থানীয়দের মতে, দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণ না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।