আজ শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ: দীর্ঘস্থায়ী রোগ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা, নিয়মিত চিকিৎসা ও সঠিক জীবনযাপন গর্ভাবস্থায় খিঁচুনি: মা ও শিশুকে সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় জবাবদিহি: চিকিৎসার মানের বাইরে যে প্রশ্নগুলো জরুরি সাতক্ষীরায় বিসিবি’র বয়সভিত্তিক ক্রিকেট প্রাক-বাছাই ২৫ অক্টোবর মহাষ্টমীতে পূজামন্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ পিটিয়ে মারার উদ্দেশ্য ছিল না, দুর্ঘটনাবশত হয়েছে সাতক্ষীরায় ১৯০ সহকারী শিক্ষকের পদায়ন শারদীয় দুর্গাপূজায় সম্প্রীতি ও সহযোগিতার আহ্বান সৈয়দ ইফতেখার আলীর ভিডিএফের খুলনা বিভাগীয় সভাপতি বাগেরহাটের শুভ্র, সম্পাদক সাতক্ষীরার হোসেন আলী তরুণদের অংশগ্রহণে খুলনায় তিন দিনব্যাপী ‘স্বাধীনতা প্রকল্প’ প্রশিক্ষণ

সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজে চাঁদাবাজদের দাপট, পুলিশ পাহারায় সড়ক নির্মাণ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮০ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদারসহ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নানামুখী চাঁদাবাজি ও হুমকির মুখে পড়ছে। ‘দলীয় পরিচয়’ ব্যবহার করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। এতে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের।
সদর উপজেলার বদ্ধিপুর কলোনিতে সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় দুর্বৃত্তদের হাতে লাঞ্ছিত হন মেসার্স ছয়ানী এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ হাসান। এমনকি নির্মিত সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত করে দেওয়া হয়। ফলে বাধ্য হয়ে পুলিশ পাহারায় কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে পুরাতন সাতক্ষীরা সওজ থেকে গোবিন্দপুর বাজার হয়ে জেয়ালা সড়কের কার্পেটিং কাজ শেষ করা হয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা ছিল এক কোটি ১২ লাখ আট হাজার ৬৯৩ টাকা।
চাঁদাবাজির শিকার ঠিকাদার জাহিদ হাসান বলেন, আমরা সরকারের উন্নয়ন সহযোগী। কাজ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে না চাইলে আমাদের ওপর হামলা এবং কাজ নষ্ট করা হচ্ছে। অল্প কিছু কাজ বাকি থাকতে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ পাহারায় কাজ শেষ করতে হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান,
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে নিরাপত্তার মধ্যেই কাজটি শেষ করতে পারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী বলেন, কর্পেটিংয়ের সময় স্থানীয় কিছু যুবক বড় অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তারা নির্মিত সড়ক খুঁড়ে নষ্ট করে এবং ঠিকাদারের লোকজনকে হুমকি দেয়। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় কাজ শেষ করা হয়।
জেলায় এ ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটায় উন্নয়ন কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের। তারা সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

সর্বোচ্চ পঠিত

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ: দীর্ঘস্থায়ী রোগ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা, নিয়মিত চিকিৎসা ও সঠিক জীবনযাপন

সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজে চাঁদাবাজদের দাপট, পুলিশ পাহারায় সড়ক নির্মাণ

আপডেট সময়: ০৪:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদারসহ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নানামুখী চাঁদাবাজি ও হুমকির মুখে পড়ছে। ‘দলীয় পরিচয়’ ব্যবহার করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। এতে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের।
সদর উপজেলার বদ্ধিপুর কলোনিতে সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় দুর্বৃত্তদের হাতে লাঞ্ছিত হন মেসার্স ছয়ানী এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ হাসান। এমনকি নির্মিত সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত করে দেওয়া হয়। ফলে বাধ্য হয়ে পুলিশ পাহারায় কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে পুরাতন সাতক্ষীরা সওজ থেকে গোবিন্দপুর বাজার হয়ে জেয়ালা সড়কের কার্পেটিং কাজ শেষ করা হয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা ছিল এক কোটি ১২ লাখ আট হাজার ৬৯৩ টাকা।
চাঁদাবাজির শিকার ঠিকাদার জাহিদ হাসান বলেন, আমরা সরকারের উন্নয়ন সহযোগী। কাজ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে না চাইলে আমাদের ওপর হামলা এবং কাজ নষ্ট করা হচ্ছে। অল্প কিছু কাজ বাকি থাকতে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ পাহারায় কাজ শেষ করতে হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান,
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে নিরাপত্তার মধ্যেই কাজটি শেষ করতে পারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী বলেন, কর্পেটিংয়ের সময় স্থানীয় কিছু যুবক বড় অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তারা নির্মিত সড়ক খুঁড়ে নষ্ট করে এবং ঠিকাদারের লোকজনকে হুমকি দেয়। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় কাজ শেষ করা হয়।
জেলায় এ ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটায় উন্নয়ন কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের। তারা সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন।