আজ বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
সাতক্ষীরায় এইচএসসি পরীক্ষায় ভূগোল প্রথম পত্রের বদলে দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন সাতক্ষীরার মাটিতে প্রথম ‘বাইকুনুর’ আঙুর চাষ, ১০ মাসেই বাম্পার ফলন বাঁশ ও গোবর সার কাণ্ডে স্ট্যান্ড রিলিজ সাতক্ষীরার সেই কৃষি কর্মকর্তা সাতক্ষীরায় দ্রুত ডাক সার্ভিসের নামে পোস্ট অফিসের প্রতারণা, ১৪ দিনেও পৌঁছায়নি জরুরি নথি নিম্নচাপের প্রভাবে সাতক্ষীরায় বৃষ্টি, বিপাকে উপকূলীয় অঞ্চলের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা সাতক্ষীরায় ৭৬ শতাংশ নারীই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সহিংসতার শিকার এনটিভির ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় ছাত্রদলের ফুলেল শুভেচ্ছা খুলনা বিভাগীয় ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে যুক্ত হলো সাতক্ষীরা জেলা কমিটি অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ৩৫ মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগ জাতির সঙ্গে যারা বেইমানি করেছে, তাদের ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না : ছাত্রশিবির সভাপতি সাদ্দাম

সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজে চাঁদাবাজদের দাপট, পুলিশ পাহারায় সড়ক নির্মাণ

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময়: ০৪:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদারসহ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নানামুখী চাঁদাবাজি ও হুমকির মুখে পড়ছে। ‘দলীয় পরিচয়’ ব্যবহার করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। এতে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের।
সদর উপজেলার বদ্ধিপুর কলোনিতে সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় দুর্বৃত্তদের হাতে লাঞ্ছিত হন মেসার্স ছয়ানী এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ হাসান। এমনকি নির্মিত সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত করে দেওয়া হয়। ফলে বাধ্য হয়ে পুলিশ পাহারায় কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে পুরাতন সাতক্ষীরা সওজ থেকে গোবিন্দপুর বাজার হয়ে জেয়ালা সড়কের কার্পেটিং কাজ শেষ করা হয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা ছিল এক কোটি ১২ লাখ আট হাজার ৬৯৩ টাকা।
চাঁদাবাজির শিকার ঠিকাদার জাহিদ হাসান বলেন, আমরা সরকারের উন্নয়ন সহযোগী। কাজ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে না চাইলে আমাদের ওপর হামলা এবং কাজ নষ্ট করা হচ্ছে। অল্প কিছু কাজ বাকি থাকতে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ পাহারায় কাজ শেষ করতে হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান,
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে নিরাপত্তার মধ্যেই কাজটি শেষ করতে পারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী বলেন, কর্পেটিংয়ের সময় স্থানীয় কিছু যুবক বড় অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তারা নির্মিত সড়ক খুঁড়ে নষ্ট করে এবং ঠিকাদারের লোকজনকে হুমকি দেয়। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় কাজ শেষ করা হয়।
জেলায় এ ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটায় উন্নয়ন কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের। তারা সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন।
ট্যাগস:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে

সর্বোচ্চ পঠিত

সাতক্ষীরায় এইচএসসি পরীক্ষায় ভূগোল প্রথম পত্রের বদলে দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন

সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজে চাঁদাবাজদের দাপট, পুলিশ পাহারায় সড়ক নির্মাণ

আপডেট সময়: ০৪:৪০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
সাতক্ষীরায় উন্নয়ন কাজ করতে গিয়ে ঠিকাদারসহ বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নানামুখী চাঁদাবাজি ও হুমকির মুখে পড়ছে। ‘দলীয় পরিচয়’ ব্যবহার করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যক্তি ঠিকাদারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছে—এমন অভিযোগ দিন দিন বাড়ছে। এতে জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের।
সদর উপজেলার বদ্ধিপুর কলোনিতে সড়ক নির্মাণ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় দুর্বৃত্তদের হাতে লাঞ্ছিত হন মেসার্স ছয়ানী এন্টারপ্রাইজের মালিক জাহিদ হাসান। এমনকি নির্মিত সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত করে দেওয়া হয়। ফলে বাধ্য হয়ে পুলিশ পাহারায় কাজ সম্পন্ন করতে হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে পুরাতন সাতক্ষীরা সওজ থেকে গোবিন্দপুর বাজার হয়ে জেয়ালা সড়কের কার্পেটিং কাজ শেষ করা হয়। প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা ছিল এক কোটি ১২ লাখ আট হাজার ৬৯৩ টাকা।
চাঁদাবাজির শিকার ঠিকাদার জাহিদ হাসান বলেন, আমরা সরকারের উন্নয়ন সহযোগী। কাজ করতে গিয়ে চাঁদা দিতে না চাইলে আমাদের ওপর হামলা এবং কাজ নষ্ট করা হচ্ছে। অল্প কিছু কাজ বাকি থাকতে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশ পাহারায় কাজ শেষ করতে হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান জানান,
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে নিরাপত্তার মধ্যেই কাজটি শেষ করতে পারে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী বলেন, কর্পেটিংয়ের সময় স্থানীয় কিছু যুবক বড় অংকের চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না পেয়ে তারা নির্মিত সড়ক খুঁড়ে নষ্ট করে এবং ঠিকাদারের লোকজনকে হুমকি দেয়। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় কাজ শেষ করা হয়।
জেলায় এ ধরনের ঘটনা একাধিকবার ঘটায় উন্নয়ন কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ ঠিকাদারদের। তারা সুষ্ঠু আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন।